মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলার ঐতিহ্য

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে জামদানি পল্লী। তারাব পৌরসভার ভেতরেই বিসিকের এ জামদানি পল্লী।কয়েকশ তাঁতে নারী-পুরুষ মিলিয়ে এক হাজারের বেশি কারিগর রয়েছেন সেখানে। যুগ যুগ ধরে ওই এলাকায় জামদানি শাড়ি তৈরি হচ্ছে। জামদানি তৈরির জন্য রূপগঞ্জের খ্যাতি দীর্ঘদিনের। এ এলাকার রূপসী, কাজীপাড়া, বেছাকুর, খাদুন, মইকলি, মোরগাকুল, পবনকুল, বরাব, সোনারগাঁয়ের বারদী ও বারগাঁয়ে জামদানি তৈরি হয়। কাপড়ে সুতা তোলা, সুতা রঙ করা আর শাড়ি বুনন ও নকশার কাজে সর্বদাই ব্যস্ত সময় কাটান জামদানি কারিগরগণ।জামদানির নাম করন- 'জামদানি' শব্দটি ফার্সি ভাষা থেকে এসেছে। ফার্সি জামা অর্থ কাপড় এবং দানা অর্থ বুটি, সে অর্থে জামদানি অর্থ বুটিদার কাপড়। আরেকটি মতে, ফারসিতে 'জাম' অর্থ এক ধরনের উত্কৃষ্ট মদ এবং 'দানি' অর্থ পেয়ালা।জামদানি বাজারজাত করণে ডেমরা ও বিসিক জামদানি পল্লীতে দুটি বিখ্যাত বাজার বসে। প্রতি শুক্রবার ভোর রাতে দেড় থেকে দু’ঘণ্টার জন্য এ বাজার বসে। ভোর ৩টা সাড়ে ৩টার দিকে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁত মালিকরা তাদের এক সপ্তাহে তৈরি শাড়ি নিয়ে হাটে আসেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা সেখানে গিয়ে জামদানি নিয়ে যান। সাপ্তাহিক এই জামদানি হাটের সঙ্গে তাঁত শ্রমিকদের বেতন দেয়ার বিষয়টি সম্পৃক্ত। অর্থাৎ শ্রমিকরা মজুরি পান সাপ্তাহিক ভিত্তিতে। যাতায়াত-এ হচ্ছে রূপগঞ্জের তারাব জামদানি পল্লীর গল্প। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ হয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা সদরে যাওয়ার পথে তারাব পৌরসভার ভেতরেই বিসিকের এ জামদানি পল্লী।

ছবি


সংযুক্তি